ধাপ 9 / 9 · রোমানিয়া

পৌঁছানো ও সেটল

রেসিডেন্স পারমিট, রেজিস্ট্রেশন, ব্যাংক, সিম ও পার্টটাইম — নতুন দেশে প্রথম সপ্তাহগুলো গুছিয়ে শুরু করুন।

পৌঁছে যাওয়াই শেষ নয় — প্রথম কয়েক সপ্তাহে কয়েকটি জরুরি কাজ গুছিয়ে নিলে জীবন সহজ হয়। অনেক দেশে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে রেসিডেন্স পারমিট সংগ্রহ বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষে রেজিস্ট্রেশন করতে হয়। ইউনিভার্সিটির ইন্টারন্যাশনাল অফিস এ ব্যাপারে সাহায্য করে — অরিয়েন্টেশনে অবশ্যই যান।

প্রথম সপ্তাহের ব্যবহারিক কাজ: একটি স্থানীয় সিম/মোবাইল প্ল্যান নিন, একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলুন (ভাড়া, বেতন ও দৈনন্দিন খরচের জন্য), পরিবহন কার্ড/পাস নিন, আর ইউনিভার্সিটিতে চূড়ান্ত এনরোলমেন্ট/রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করুন। নিচে এই দেশের পার্টটাইম ও পোস্ট-স্টাডি কাজের নিয়ম দেওয়া আছে — নিয়ম মেনে কাজ খুঁজুন।

একা বোধ করবেন না। বাংলাদেশি ও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী কমিউনিটি, ইউনিভার্সিটি ক্লাব এবং সিনিয়রদের সাথে যুক্ত হন — থাকা, কাজ ও পড়াশোনার বাস্তব পরামর্শ এখান থেকেই আসে। নিচের সফলতার গল্পগুলো দেখুন; আপনিও একদিন কারও পথপ্রদর্শক হবেন।

কাজের সুযোগ

পড়ার সময়

স্টাডি রেসিডেন্স পারমিটধারীরা ওয়ার্ক পারমিট ছাড়া কেবল পার্টটাইম চুক্তিতে কাজ করতে পারেন, দিনে সর্বোচ্চ ৬ ঘণ্টা (IGI)। এই আয়ে টিউশন চলবে না; একে জীবনযাত্রার খরচে সামান্য সহায়তা হিসেবে ধরুন।

পড়ার পরে

পড়া শেষের পর চাকরি খোঁজা বা ব্যবসা শুরুর জন্য রেসিডেন্স ৯ মাস বাড়ানো যায় (IGI)। এতে চাকরি বা ওয়ার্ক পারমিট আপনা-আপনি মেলে না।

দীর্ঘমেয়াদি / PR

দীর্ঘমেয়াদি রেসিডেন্সের জন্য টানা ৫ বছর বৈধ বসবাস লাগে, আর পড়াশোনার সময় অর্ধেক হিসেবে গোনা হয় (IGI)। তিন বছরের ব্যাচেলর তাই দেড় বছর হিসেবে গণ্য।

বাস্তব সফলতার গল্প

🇮🇹 ইলিয়াস হোসেন · ইতালি

“ভেবেছিলাম টাকার জন্য স্বপ্নটাই বাদ দিতে হবে। ওরা দেখাল সৎ পথেও কম খরচে ইউরোপ সম্ভব।”

🇨🇾 তাসনিয়া আক্তার · সাইপ্রাস

“IELTS নিয়ে যত ভয় ছিল, প্রসেস তত সহজ হয়ে গেল। সবকিছু গোছানো ছিল।”

আরও গল্প