প্রি-ডিপার্চার প্রস্তুতি
ভিসা হাতে এলে টিকিট, থাকার ব্যবস্থা, ইন্স্যুরেন্স, ফরেক্স ও প্যাকিং — যাত্রার আগে সব গুছিয়ে নিন।
ভিসা হয়ে গেছে — এবার যাত্রার প্রস্তুতি। তাড়াহুড়ো এড়াতে একটি চেকলিস্ট ধরে এগোন। প্রথমেই ইনটেকের তারিখের সাথে মিলিয়ে বিমান টিকিট কাটুন (খুব আগে নয়, আবার শেষ মুহূর্তেও নয় — দাম ও সুবিধা বুঝে)। সরাসরি বনাম কানেক্টিং, লাগেজ অ্যালাওয়েন্স ও পৌঁছানোর সময় বিবেচনা করুন।
থাকার ব্যবস্থা আগেভাগে নিশ্চিত করুন — ইউনিভার্সিটি হোস্টেল/ডর্ম, বা যাচাই করা প্রাইভেট অ্যাকোমোডেশন। প্রথম কয়েক দিনের জন্য অন্তত একটি বুকিং থাকা জরুরি; অচেনা শহরে নেমে থাকার জায়গা না থাকলে চাপ বাড়ে। স্বাস্থ্যবীমা (অনেক দেশে বাধ্যতামূলক) ও প্রয়োজনীয় টিকা/মেডিকেল কাগজ গুছিয়ে নিন।
টাকা ও কাগজ: কিছু ফরেক্স (ক্যাশ + কার্ড) সাথে রাখুন, প্রথম মাসের খরচের ব্যবস্থা করুন। সব গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টের আসল + ফটোকপি + ডিজিটাল কপি (ক্লাউডে) রাখুন — পাসপোর্ট/ভিসা, অফার লেটার, একাডেমিক কাগজ, ফান্ড ও বাসস্থানের প্রমাণ হাতব্যাগে রাখুন, চেক-ইন লাগেজে নয়।
হাতব্যাগে যা রাখবেন (চেক-ইন লাগেজে নয়)
পাসপোর্ট ও ভিসা · অফার/Acceptance লেটার · একাডেমিক কাগজের কপি · ফান্ড ও বাসস্থানের প্রমাণ · স্বাস্থ্যবীমা · কিছু ক্যাশ ও কার্ড · জরুরি ফোন নম্বর · ওষুধ থাকলে প্রেসক্রিপশনসহ। এগুলো ইমিগ্রেশনে চাইতে পারে — সবসময় সাথে রাখুন।
কাজের সুযোগ
স্টাডি রেসিডেন্স পারমিটধারীরা ওয়ার্ক পারমিট ছাড়া কেবল পার্টটাইম চুক্তিতে কাজ করতে পারেন, দিনে সর্বোচ্চ ৬ ঘণ্টা (IGI)। এই আয়ে টিউশন চলবে না; একে জীবনযাত্রার খরচে সামান্য সহায়তা হিসেবে ধরুন।
পড়া শেষের পর চাকরি খোঁজা বা ব্যবসা শুরুর জন্য রেসিডেন্স ৯ মাস বাড়ানো যায় (IGI)। এতে চাকরি বা ওয়ার্ক পারমিট আপনা-আপনি মেলে না।
দীর্ঘমেয়াদি রেসিডেন্সের জন্য টানা ৫ বছর বৈধ বসবাস লাগে, আর পড়াশোনার সময় অর্ধেক হিসেবে গোনা হয় (IGI)। তিন বছরের ব্যাচেলর তাই দেড় বছর হিসেবে গণ্য।