ধাপ 1 / 9

দেশ ও ইউনিভার্সিটি বাছাই

প্রোফাইল ও বাজেটের সাথে মিলিয়ে দেশ ঠিক করুন, তারপর Safe / Target / Reach ভাগে ইউনিভার্সিটি শর্টলিস্ট করুন।

দেশ বাছাই আবেগ দিয়ে নয়, মিল দিয়ে করুন। প্রতিটি দেশের গাইড পেজে খরচ, IELTS শর্ত, ইনটেক, কাজের সুযোগ ও স্কলারশিপ দেওয়া আছে — আপনার অ্যাসেসমেন্টের ফলাফলের সাথে মিলিয়ে ২–৩টি দেশ বেছে নিন। একটিতে আটকে না থেকে কয়েকটি বিকল্প রাখলে সম্ভাবনা বাড়ে।

দেশ ঠিক হলে ইউনিভার্সিটি ও প্রোগ্রাম শর্টলিস্ট করুন। এখানে একটি সহজ কৌশল ব্যবহার করুন — Safe / Target / Reach। Safe: যেখানে আপনার রেজাল্ট শর্তের চেয়ে ভালো, ভর্তি প্রায় নিশ্চিত। Target: যেখানে আপনি ঠিক শর্ত পূরণ করেন, ভর্তির ভালো সম্ভাবনা। Reach: স্বপ্নের প্রোগ্রাম, প্রতিযোগিতামূলক বা স্কলারশিপ-নির্ভর। প্রতিটি ভাগ থেকে অন্তত একটি করে রাখুন — তাহলে কোথাও না কোথাও সুযোগ থাকবেই।

প্রোগ্রাম মেলান এই চারটি দিয়ে: (১) ভাষা — প্রোগ্রামটি ইংরেজি-মাধ্যম তো? (২) খরচ — টিউশন + থাকা আপনার বাজেটে আসে তো? (৩) ভর্তির শর্ত — আপনার রেজাল্ট ও IELTS যথেষ্ট তো? (৪) ভবিষ্যৎ — পার্টটাইম ও পোস্ট-স্টাডি কাজের সুযোগ কেমন? এই চারটি মিললে প্রোগ্রামটি আপনার তালিকায় রাখুন।

নিচে এই দেশের পরিচিত ইউনিভার্সিটি ও স্কলারশিপ দেখানো হয়েছে — নিজের গবেষণা শুরু করার ভালো জায়গা। মনে রাখবেন, তালিকা উদাহরণস্বরূপ; প্রোগ্রাম, ইনটেক ও টিউশন প্রতি বছর বদলায়, তাই ইউনিভার্সিটির অফিশিয়াল সাইটে যাচাই করে নিন।

Safe / Target / Reach — উদাহরণ

ধরুন আপনার HSC GPA 4.50, IELTS 6.0, সীমিত বাজেট। Safe = সাইপ্রাস/বুলগেরিয়ার একটি সাশ্রয়ী প্রোগ্রাম (রেজাল্ট শর্তের ওপরে)। Target = ইতালির একটি পাবলিক ইউনিভার্সিটি (শর্ত ঠিক মেলে)। Reach = হাঙ্গেরির Stipendium Hungaricum ফুল স্কলারশিপ (প্রতিযোগিতামূলক)। তিনটিতেই আবেদন করলে অন্তত একটি সুযোগ আসার সম্ভাবনা অনেক বেশি।

এই ধাপের দেশভিত্তিক তথ্য (খরচ, IELTS, ডকুমেন্ট, ফান্ড) দেখতে একটি দেশ বেছে নিন।

দেশ বেছে নিন