ভিসা

VFS ঢাকায় জমা দেওয়ার পর: ইতালির স্টুডেন্ট ভিসায় আসলে কত সময় লাগে

মোঃ সালাহউদ্দিন১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬10 মিনিট পড়াসর্বশেষ যাচাই: ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

VFS ঢাকায় জমার পর ফাইল কার কাছে যায়, জাতীয় ভিসার ৯০ দিনের সীমা বাস্তবে কী বোঝায়, ট্র্যাকিং কী বলে আর কী বলে না, আর অপেক্ষার সময়টায় কী করবেন আর কী করবেন না — আন্দাজি কোনো দিনসংখ্যা ছাড়া।

এক নজরে: VFS ঢাকায় জমা দেওয়ার পর ফাইলটি আউটসোর্স করা কেন্দ্র ছেড়ে যায় ইতালি দূতাবাসের কনস্যুলার সেকশনে — সিদ্ধান্ত নেওয়ার একমাত্র জায়গা সেটিই। ইউরোপীয় আইনে (Directive (EU) 2016/801) শিক্ষার্থীর সম্পূর্ণ আবেদনে সিদ্ধান্ত দিতে হয় সর্বোচ্চ ৯০ দিনে — কিন্তু ঘড়িটা চালু হয় ফাইল সম্পূর্ণ হলে, আপনি হাতে তুলে দিলেই নয়। এজেন্সির পাতায় লেখা "আনুমানিক এত দিন" কোনো প্রতিশ্রুতি নয়: ইতালি জাতীয় স্টাডি ভিসার জন্য কোনো প্রসেসিং-টাইমের নিশ্চয়তা প্রকাশ করে না। ট্র্যাকিং অগ্রগতি দেখায় না, হেফাজত দেখায় — আর অপেক্ষার সময়ে সবচেয়ে কাজের কাজটি হলো কোনো কাগজ চাওয়া হলে সপ্তাহ নয়, দিনের মধ্যে পাঠানো।

ইতালির স্টুডেন্ট ভিসার সবচেয়ে কঠিন অংশ কাগজপত্র নয়। তার পরের নীরবতা।

আপনি ফাইল জমা দিলেন, একটা রসিদ পেলেন, তারপর চোখে দেখা যায় এমন কিছুই আর ঘটে না। ইনটেক এগিয়ে আসছে, ইউনিভার্সিটি সিদ্ধান্ত চাইছে, আর প্রতিটা ওয়েবসাইট সময় নিয়ে আলাদা কথা বলছে। এই লেখাটা সেই জানালাটা নিয়ে — ফাইল কার কাছে আছে, আইনি সময়সীমা আসলে কী প্রতিশ্রুতি দেয়, আপনি যে সংখ্যাগুলো পড়েছেন সেগুলো কেন প্রতিশ্রুতি নয়, আর এর মধ্যে কোন অল্প কয়েকটা জিনিস এখনো আপনার হাতে।

সাধারণ যন্ত্রপাতিটা — জমা দেওয়া ফাইল কার হাতে যায়, ট্র্যাকার কী দেখায়, পাসপোর্ট শারীরিকভাবে কোথায় থাকে — আগে থেকেই আছে VFS-এ জমার পর কী হয়, ভিসা আবেদন ট্র্যাকিং আর প্রসেসিংয়ের সময় পাসপোর্ট কোথায় লেখায়। এটি তার ওপরের ইতালি-নির্দিষ্ট স্তরটি

ফাইলটা আসলে কার কাছে

ধাপকার কাছেতারা কী পারে, কী পারে না
জমা ও বায়োমেট্রিকVFS Global, ঢাকাকাগজ নেয়, তালিকা মেলায়, আঙুলের ছাপ নেয়। কোনো সিদ্ধান্ত নেয় না, ফলও বলতে পারে না
স্থানান্তরকুরিয়ারে কনস্যুলার সেকশনেকয়েক দিন, বাইরে থেকে অদৃশ্য
মূল্যায়নকনস্যুলার সেকশন, ইতালি দূতাবাসসিদ্ধান্তের একমাত্র জায়গা। শর্ত যাচাই ও মাইগ্রেশন রিস্কের মূল্যায়ন
যাচাই, যেখানে হয়কনস্যুলার সেকশন, কখনো ব্যাংক, স্পনসর বা ইউনিভার্সিটিতে যোগাযোগএমন সময় যোগ করে যা কোনো প্রকাশিত সংখ্যায় ধরা নেই
ফল নথিভুক্তকনস্যুলার সেকশন, Universitaly-তেভিসা দেওয়া ও বাতিল — দুটোই পোর্টালে নথিভুক্ত করতে হয়
ফেরতকুরিয়ারে VFS, তারপর আপনার কাছেআপনি বা অনুমোদিত ব্যক্তি সংগ্রহ করেন

টেবিলের দুটো ফল সরাসরি বলে দেওয়া দরকার। VFS একটি সামনের কাউন্টার — সিদ্ধান্ত নিয়ে তাদের জিজ্ঞেস করা মানে ভুল প্রতিষ্ঠানকে জিজ্ঞেস করা। আর যেহেতু শেষে ফলটা সরকারি পোর্টালে নথিভুক্ত করতে হয়, প্রক্রিয়াটির একটা আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি-ধাপ আছে যা আপনার চোখেই পড়ে না।

৯০ দিনের সীমা কী দেয়, আর কী দেয় না

ইউরোপীয় আইন — ছাত্র ও গবেষক ডিরেক্টিভ, Directive (EU) 2016/801 — শিক্ষার্থীর আবেদনে সিদ্ধান্ত দিতে বলে সম্পূর্ণ আবেদন জমার তারিখ থেকে সর্বোচ্চ ৯০ দিনে। ইতালি এই কাঠামোর ভেতরেই চলে।

শব্দ তিনটা মন দিয়ে পড়ুন, কাজটা ওরাই করে।

সর্বোচ্চ। এটি সিলিং, লক্ষ্য নয়, গড়ও নয়। ৮৯তম দিনের সিদ্ধান্তও আইনের ভেতরে।

সম্পূর্ণ। ঘড়িটা বাঁধা সম্পূর্ণ আবেদনের সঙ্গে। অনুবাদ বাকি থাকলে, CIMEA প্রত্যয়ন না এলে, বা কনস্যুলেট টাকার উৎস নিয়ে কাগজ চাইলে ফাইল সম্পূর্ণ নয় — আর আপনার জন্য অপেক্ষার সময়টা কর্তৃপক্ষের ব্যয় করা সময় নয়। পরিবারগুলো যে সময়রেখা দেখে তার সঙ্গে শোনা কথার কোনো মিল থাকে না, এটাই তার সবচেয়ে বড় কারণ।

সিদ্ধান্ত। ৯০ দিন সিদ্ধান্তের সময়সীমা। ৮৫তম দিনে আসা একটি রিফিউজালও সময়সীমা মেনেছে।

ঢাকা থেকে ইতালির টাইপ-D স্টাডি ভিসার কোনো প্রসেসিং টাইম কোনো কর্তৃপক্ষ প্রকাশ করে না — দূতাবাস নয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নয়, VFS নয়। প্রকাশিত অবস্থান এটুকুই, আর এই লেখায় আমরা আপনাকে কোনো দিনের সংখ্যা বলব না, কারণ বলার মতো সংখ্যাই নেই। আমাদের কোন দেশে কত সময় লাগে লেখায় যা আছে তা নয় দেশ নিয়ে আমাদের নিজেদের পর্যবেক্ষণ, স্পষ্টভাবে সেভাবেই লেখা — আকার বোঝার জন্য কাজের, কিন্তু কারও দেওয়া প্রতিশ্রুতি নয়।

এজেন্সির পাতার সংখ্যাগুলো কেন প্রতিশ্রুতি নয়

আপনি পড়বেন ইতালির স্টুডেন্ট ভিসায় আনুমানিক ১৫ দিন, বা তিন সপ্তাহ, বা এক মাস লাগে। কখনো ওগুলো কারও সত্যিকারের অভিজ্ঞতা। কোনোটাই প্রতিশ্রুতি নয়, এবং কেন তা এখানে।

ঢাকা থেকে জাতীয় স্টাডি ভিসার জন্য ইতালি কোনো সার্ভিস স্ট্যান্ডার্ড প্রকাশ করে না। কনস্যুলেটের প্রতিশ্রুত কোনো লক্ষ্য নেই, নাগরিকত্ব ধরে প্রকাশিত কোনো গড়ও নেই। তাই কনসালট্যান্সির পাতায় থাকা নির্দিষ্ট সংখ্যাটা হয় অফিসের মনে থাকা একটা ফাইল, নয়তো এমন একটা সংখ্যা যা শুনতে ভরসা দেয়।

বাস্তবে তিনটি জিনিস ফাইলভেদে বিপুল বদলায়, এবং একটিও আগে থেকে দেখা যায় না: যাচাই শুরু হবে কি না, ফাইলে কিছু সম্পূরক করতে হবে কি না, আর ওই নির্দিষ্ট মৌসুমে কনস্যুলার সেকশনের ওপর কত চাপ। ক্যালেন্ডারের শান্ত সময়ে জমা দেওয়া একজন আর ৩০ নভেম্বরের আগের আবেদনের দেয়ালে জমা দেওয়া একজন এক সিরিয়ালে নেই — অথচ দুজনেই একই পাতা পড়ছেন।

এ কারণেই আমরা পরিবারগুলোকে সংখ্যার চারপাশে পরিকল্পনা করতে না বলে আগে জমা দিতে বলি। প্রক্রিয়াটা ইনটেককে ছাড়িয়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমানোর এটিই একমাত্র হাতিয়ার।

ইতালির নিজস্ব চাপ: সিরিয়াল নয়, ক্যালেন্ডার

এই অংশটাই ইতালির জন্য সত্যিই আলাদা, এবং এর শুরু VFS-এর অনেক আগে।

জাতীয় তারিখ। ২০২৬/২৭ শিক্ষাবর্ষের ভিসার আবেদন কনস্যুলেটে পৌঁছাতে হবে ৩০ নভেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে, আর ২০২৭/২৮-এর জন্য ৩১ অক্টোবর ২০২৭

আপনার ইউনিভার্সিটির নিজের তারিখ, যা আরও আগে হতে পারে। ক্লাস শুরুর সময়ের সঙ্গে মিলিয়ে প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের তারিখ প্রকাশ করতে পারে, এবং সেটি জাতীয় তারিখের আগেও পড়তে পারে। ৩০ নভেম্বর ধরে পরিকল্পনা করে নিজের ইউনিভার্সিটির অক্টোবরের সীমা হারানো এমন ক্ষতি, যা কোনো প্রসেসিং গতি মেরামত করতে পারে না।

দুটোর সামনে দাঁড়ানো ভ্যালিডেশনের সীমা। ২০২৬/২৭ থেকে একটি ইউনিভার্সিটি বিদেশি আসনের চেয়ে সর্বোচ্চ ২০% বেশি প্রি-এনরোলমেন্ট ভ্যালিডেট করতে পারে; এরপর ভ্যালিডেশন স্থগিত। যেহেতু কেবল ভ্যালিডেট হওয়া প্রি-এনরোলমেন্টই কনস্যুলেটে নেওয়া যায়, আপনার ইনটেকের আসল সিরিয়াল শুরু হয় ইউনিভার্সিটিতে, VFS-এ নয়। সীমাটি তালাবদ্ধ দরজা নয়, ঘূর্ণায়মান ফটক — একটি স্টাডি ভিসা বাতিল হলে ওই প্রতিষ্ঠানের জন্য সঙ্গে সঙ্গে আরেকটি ভ্যালিডেশনের জায়গা খুলে যায়, আর প্রতিষ্ঠান একাডেমিক পর্ষদের সিদ্ধান্তে বাড়তি ভ্যালিডেশনও চাইতে পারে — কিন্তু অন্য কারও রিফিউজালের ওপর ভরসা করে পরিকল্পনা হয় না। তাই দেরিতে প্রি-এনরোল করা কেবল দেরি করায় না; চেষ্টাটাই শেষ করে দিতে পারে।

অপেক্ষাকে প্রভাবিত করে এমন আরও দুটি ইতালীয় বিষয়। ১১ জানুয়ারি ২০২৫ থেকে জাতীয় ভিসাতেও আঙুলের ছাপ বাধ্যতামূলক, তাই বায়োমেট্রিক অ্যাপয়েন্টমেন্ট ক্যালেন্ডারের নির্দিষ্ট অংশ। আর ওপরের জাতীয় তারিখগুলো বাঁধে কেবল প্রচলিত ডিগ্রি কোর্সগুলোকে — Laurea, Laurea Magistrale ও একাডেমিক ডিপ্লোমা। ইতালীয় পেশাগত Master, পিএইচডি, ইরাসমাস, সিঙ্গল কোর্স ও ফাউন্ডেশন কোর্সের জন্য জাতীয় কোনো শেষ তারিখ নেই — এবং সাবধান, ইতালীয় অর্থে Master আর বাংলাদেশে যাকে আমরা মাস্টার্স বলি সেই Laurea Magistrale এক জিনিস নয়।

ট্র্যাকিং কী বলে, আর কী বলে না

ট্র্যাকিং রেফারেন্স আপনাকে বলে হেফাজত: গৃহীত, প্রক্রিয়াধীন, পাঠানো হয়েছে, সংগ্রহের জন্য প্রস্তুত। এটি সত্যিই কাজের, এবং এটুকুই।

এটি বলে না কোনো কর্মকর্তা ফাইল খুলেছেন কি না, যাচাই চলছে কি না, সিদ্ধান্ত হয়ে গিয়ে ছাপা বাকি কি না, বা ফলটা কী। তিন সপ্তাহ ধরে স্ট্যাটাস না বদলানো সমস্যার প্রমাণ নয়, আর স্ট্যাটাস "dispatched" হওয়া অনুমোদনের প্রমাণ নয় — রিফিউজালও ঠিক একইভাবে ফেরত আসে।

যেটা দেখা দরকার তা হলো আপনার ইমেইল ও ফোন, স্পনসর ও ইউনিভার্সিটির জন্য দেওয়া নম্বরগুলোসহ। বাড়তি কাগজ চাওয়ার অনুরোধ এমনভাবে সময়-সংবেদনশীল, যেভাবে ট্র্যাকার নয়।

অপেক্ষার সময়ে কী করবেন, কী করবেন না

করুন।

১. কাগজ চাওয়া হলে দিনের মধ্যে উত্তর দিন। সময়রেখার এই অংশটুকুই কেবল আপনার হাতে, আর ঘড়ি বাঁধা সম্পূর্ণতার সঙ্গে। ২. স্পনসরকে নাগালে ও প্রস্তুত রাখুন। যাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে ফাইলের টাকা, কনস্যুলেট ফোন করলে তিনি যেন প্রশ্নটা চিনতে পারেন এবং উত্তর জানেন। ৩. ইউনিভার্সিটিকে জানান যে জমা দিয়েছেন, আর জিজ্ঞেস করুন ভিসার ফলাফল তারা সর্বশেষ কোন তারিখ পর্যন্ত নিতে পারবে। লিখিতভাবে নিন। ৪. টাকা জায়গায় রাখুন। মূল্যায়ন চলাকালে ব্যালেন্স খরচ হয়ে যাওয়া তাত্ত্বিক নয়, সত্যিকারের ঝুঁকি। ৫. বাতিল করা যায় না এমন কিছু বুক করবেন না। টিকিট উদ্দেশ্যের প্রমাণ নয়, আর কিছু দ্রুতও করে না।

করবেন না।

১. ঝুঁকি ভাগ করতে অন্য দেশে সমান্তরাল আবেদন করবেন না। পাসপোর্ট কনস্যুলেটে, আর সমান্তরাল চেষ্টা ব্যাকআপ নয় — রেকর্ডে অসঙ্গতি। ২. একটি ফাইল নিয়ে চারজন আলাদা মানুষ দূতাবাসে যোগাযোগ করবেন না। এতে কিছু দ্রুত হয় না। ৩. না চাওয়া নতুন কাগজের সেট পাঠাবেন না। কেউ চায়নি এমন কাগজ যোগ করলে যাচাই আবার শুরু হতে পারে। ৪. এজেন্সির "প্রায় হয়ে গেছে" আশ্বাসকে তথ্য ভাববেন না। কনস্যুলার সেকশনের বাইরে কেউ জানে না। ৫. কনস্যুলেট না বললে মাঝপথে স্পনসর বা অ্যাকাউন্ট বদলাবেন না। এতে টাকার উৎসের প্রশ্নটা নতুন করে ডেকে আনা হয়।

অপেক্ষা ইনটেক ছাড়িয়ে গেলে

এটা ঘটে, এবং এটাই শেষ নয়। ইতালিতে দুটো প্রধান ইনটেক, আর পরেরটিতে পিছিয়ে যাওয়া সাধারণত ইউনিভার্সিটির সঙ্গে একটা আলোচনা — বিপর্যয় নয়। তবে আলোচনাটা আপনাকে শুরু করতে হবে, আবিষ্কার করলে চলবে না। বদলে রিফিউজাল এলে প্রতিক্রিয়ার আগে কারণটা পড়ুন, তারপর শর্তগুলো একটা একটা করে মিলিয়ে দেখুন ইতালির ভিসা কেন বাতিল হয় লেখায়।

এই লেখাটা কাদের জন্য নয়

কেউ যদি চান আমরা বলি "১৫ দিনে হয়ে যাবে" — আমরা পারব না, আর যে পাতা বলে সেটি আন্দাজ করছে। এখনো জমা না দিয়ে থাকলে আপনার দরকার কাগজের তালিকা, এই পাতা নয়: ইতালির টাইপ-D ডকুমেন্ট চেকলিস্ট। আর আপনি যদি ডক্টরেট, ইরাসমাস বা সিঙ্গল কোর্সের আবেদনকারী হন, ওপরের জাতীয় তারিখগুলো আপনাকে একইভাবে বাঁধে না — তবে ক্লাস শুরুর পরে আবেদন তখনো চলবে না।

⚠️ প্রসেসিংয়ের চর্চা ও কনস্যুলার শর্ত বদলায়। ঢাকার ইতালি দূতাবাস ও VFS Global-এ মিলিয়ে নিন। যাচাই: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬।

অফিশিয়াল সূত্র — নিজে যাচাই করুন

নিয়ম, ফি ও ডেডলাইন সময়ে সময়ে বদলায়। সিদ্ধান্তের আগে উপরের অফিশিয়াল সূত্রে বর্তমান তথ্য যাচাই করে নিন।

অপেক্ষার সময়টা কীভাবে কাজে লাগাবেন

আপনার ইনটেক ও ইউনিভার্সিটি ধরে কোন তারিখে কী করতে হবে, লিখে পাঠাই।

সাধারণ প্রশ্ন

ঢাকা থেকে ইতালির স্টুডেন্ট ভিসায় কত দিন লাগে?+

বাংলাদেশে ইতালির জাতীয় স্টাডি ভিসার জন্য কোনো প্রকাশিত সার্ভিস স্ট্যান্ডার্ড নেই, তাই সৎ কোনো পাতা আপনাকে নির্দিষ্ট সংখ্যা দিতে পারবে না। ইউরোপীয় আইনে Directive 2016/801 অনুযায়ী শিক্ষার্থীর সম্পূর্ণ আবেদনে সিদ্ধান্তের সর্বোচ্চ সময় ৯০ দিন, আর ওই সিলিংটুকুই ভরসা করার মতো। আপনি যে কাগজ দেননি তার জন্য অপেক্ষার সময় এতে গোনা হয় না — অভিজ্ঞতা এত আলাদা হওয়ার কারণ এটাই।

৯০ দিনের হিসাব কি VFS-এ জমা দেওয়ার দিন থেকে শুরু?+

শুরু হয় সম্পূর্ণ আবেদন থেকে। কিছু বাকি না থাকলে VFS-এ জমা দেওয়াই সেই মুহূর্ত। কিন্তু কনস্যুলেট অনুবাদ, CIMEA প্রত্যয়ন বা টাকার উৎস নিয়ে কাগজ চাইলে আপনি না দেওয়া পর্যন্ত ফাইল সম্পূর্ণ নয়, আর মাঝের সময়টা কর্তৃপক্ষের নয়, আপনার।

VFS কি বলতে পারবে আমার ইতালির ভিসা হয়েছে কি না?+

না। VFS Global একটি আউটসোর্স করা সামনের কাউন্টার, যারা ফাইল নেয় ও বায়োমেট্রিক করে। সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে ইতালি দূতাবাসের কনস্যুলার সেকশনের, আর পাসপোর্ট ফেরত পাঠানোর আগে VFS-কে ফলাফল জানানো হয় না। ট্র্যাকারে dispatched দেখানো মানে পাসপোর্ট ফিরছে — ভিসা হয়েছে, তা নয়।

ইনটেকের আগে সিদ্ধান্ত না এলে কী করব?+

ডেডলাইন পেরোনোর আগেই ইউনিভার্সিটির সঙ্গে কথা বলুন, এবং লিখিতভাবে জিজ্ঞেস করুন ভিসার ফলাফল তারা সর্বশেষ কোন তারিখ পর্যন্ত নিতে পারবে আর পরের ইনটেকে পিছিয়ে দেবে কি না। কনস্যুলেটের যেকোনো চাওয়ার উত্তর দিনের মধ্যে দিন, টাকা জায়গায় রাখুন, আর পাসপোর্ট কনস্যুলেটে থাকা অবস্থায় অন্য দেশে সমান্তরাল আবেদন করবেন না।

আগে আবেদন করলে কি ইতালির ভিসা তাড়াতাড়ি হয়?+

মূল্যায়নটা দ্রুত হয় না, কিন্তু আগে আবেদন করাই আপনার একমাত্র অর্থবহ সুরক্ষা। ২০২৬/২৭-এর আবেদন কনস্যুলেটে পৌঁছাতে হবে ৩০ নভেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে, ইউনিভার্সিটি নিজের আরও আগের তারিখ দিতে পারে, আর প্রি-এনরোলমেন্ট ভ্যালিডেশন বাঁধা আছে বিদেশি আসন প্লাস ২০%-এ। আগে জমা দিলে মৌসুমের সবচেয়ে ভারী সিরিয়াল এড়ানো যায় এবং কাগজ চাওয়ার জন্য জায়গা থাকে।

গাইড ধাপ
ভিসা আবেদন ও ইন্টারভিউ
#ইতালি#প্রসেসিং টাইম#VFS#ঢাকা#টাইপ-D
শেয়ার করুন WhatsApp Facebook

আপনার ক্ষেত্রে কী প্রযোজ্য, জানতে চান?

আপনার প্রোফাইল দেখে আমরা ব্যক্তিগতভাবে সৎ পরামর্শ দেব। ফ্রি কনসালটেশন বুক করুন।

ফ্রি পরামর্শ নিন