প্রি-ডিপার্চার প্রস্তুতি
ভিসা হাতে এলে টিকিট, থাকার ব্যবস্থা, ইন্স্যুরেন্স, ফরেক্স ও প্যাকিং — যাত্রার আগে সব গুছিয়ে নিন।
ভিসা হয়ে গেছে — এবার যাত্রার প্রস্তুতি। তাড়াহুড়ো এড়াতে একটি চেকলিস্ট ধরে এগোন। প্রথমেই ইনটেকের তারিখের সাথে মিলিয়ে বিমান টিকিট কাটুন (খুব আগে নয়, আবার শেষ মুহূর্তেও নয় — দাম ও সুবিধা বুঝে)। সরাসরি বনাম কানেক্টিং, লাগেজ অ্যালাওয়েন্স ও পৌঁছানোর সময় বিবেচনা করুন।
থাকার ব্যবস্থা আগেভাগে নিশ্চিত করুন — ইউনিভার্সিটি হোস্টেল/ডর্ম, বা যাচাই করা প্রাইভেট অ্যাকোমোডেশন। প্রথম কয়েক দিনের জন্য অন্তত একটি বুকিং থাকা জরুরি; অচেনা শহরে নেমে থাকার জায়গা না থাকলে চাপ বাড়ে। স্বাস্থ্যবীমা (অনেক দেশে বাধ্যতামূলক) ও প্রয়োজনীয় টিকা/মেডিকেল কাগজ গুছিয়ে নিন।
টাকা ও কাগজ: কিছু ফরেক্স (ক্যাশ + কার্ড) সাথে রাখুন, প্রথম মাসের খরচের ব্যবস্থা করুন। সব গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টের আসল + ফটোকপি + ডিজিটাল কপি (ক্লাউডে) রাখুন — পাসপোর্ট/ভিসা, অফার লেটার, একাডেমিক কাগজ, ফান্ড ও বাসস্থানের প্রমাণ হাতব্যাগে রাখুন, চেক-ইন লাগেজে নয়।
হাতব্যাগে যা রাখবেন (চেক-ইন লাগেজে নয়)
পাসপোর্ট ও ভিসা · অফার/Acceptance লেটার · একাডেমিক কাগজের কপি · ফান্ড ও বাসস্থানের প্রমাণ · স্বাস্থ্যবীমা · কিছু ক্যাশ ও কার্ড · জরুরি ফোন নম্বর · ওষুধ থাকলে প্রেসক্রিপশনসহ। এগুলো ইমিগ্রেশনে চাইতে পারে — সবসময় সাথে রাখুন।
কাজের সুযোগ
প্রথম ৬ মাস (১ম সেমিস্টার) পর নির্দিষ্ট সেক্টরে সপ্তাহে ২০ ঘণ্টা (ছুটিতে ৩৮ ঘণ্টা) বৈধ কাজ; কন্ট্রাক্ট শ্রম দপ্তরে স্ট্যাম্প করাতে হয়।
মাস্টার্স/পিএইচডি গ্র্যাজুয়েটরা ১ বছরের জব-সার্চ পারমিট পেতে পারেন; ব্যাচেলর গ্র্যাজুয়েটরা নিয়োগকর্তার স্পন্সরশিপে ওয়ার্ক পারমিটে রূপান্তর করেন।
৫ বছর একটানা বৈধ বসবাসে দীর্ঘমেয়াদি রেসিডেন্স (A2 গ্রিক ভাষা + স্থায়ী আয়); ছাত্রজীবনের বছর অর্ধেক হিসেবে গোনা হয়।