পৌঁছানো ও সেটল
রেসিডেন্স পারমিট, রেজিস্ট্রেশন, ব্যাংক, সিম ও পার্টটাইম — নতুন দেশে প্রথম সপ্তাহগুলো গুছিয়ে শুরু করুন।
পৌঁছে যাওয়াই শেষ নয় — প্রথম কয়েক সপ্তাহে কয়েকটি জরুরি কাজ গুছিয়ে নিলে জীবন সহজ হয়। অনেক দেশে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে রেসিডেন্স পারমিট সংগ্রহ বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষে রেজিস্ট্রেশন করতে হয়। ইউনিভার্সিটির ইন্টারন্যাশনাল অফিস এ ব্যাপারে সাহায্য করে — অরিয়েন্টেশনে অবশ্যই যান।
প্রথম সপ্তাহের ব্যবহারিক কাজ: একটি স্থানীয় সিম/মোবাইল প্ল্যান নিন, একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলুন (ভাড়া, বেতন ও দৈনন্দিন খরচের জন্য), পরিবহন কার্ড/পাস নিন, আর ইউনিভার্সিটিতে চূড়ান্ত এনরোলমেন্ট/রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করুন। নিচে এই দেশের পার্টটাইম ও পোস্ট-স্টাডি কাজের নিয়ম দেওয়া আছে — নিয়ম মেনে কাজ খুঁজুন।
একা বোধ করবেন না। বাংলাদেশি ও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী কমিউনিটি, ইউনিভার্সিটি ক্লাব এবং সিনিয়রদের সাথে যুক্ত হন — থাকা, কাজ ও পড়াশোনার বাস্তব পরামর্শ এখান থেকেই আসে। নিচের সফলতার গল্পগুলো দেখুন; আপনিও একদিন কারও পথপ্রদর্শক হবেন।
কাজের সুযোগ
সেপ্টেম্বর–মে মাসে মাসে ৯০ ঘণ্টা কাজের অনুমতি (সপ্তাহে ধরলে প্রায় ২১ ঘণ্টা), আর জুন, জুলাই ও আগস্টে পূর্ণ সময় কাজ করা যায়।
গ্র্যাজুয়েশনের পর ৩ বছরের জব-সার্চ অধিকার — স্টাডি পারমিটের সাথেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয় (পুরোনো এস্টাবলিশমেন্ট কার্ড আর নেই)। তবে প্রফেশনাল মাস্টার্স ও বিজনেস একাডেমি (AP) প্রোগ্রামে এটি ৩ বছর নয়, মাত্র ৬ মাস — ভর্তির আগেই প্রোগ্রামের ধরন মিলিয়ে নিন।
নির্দিষ্ট বছর বৈধ বসবাস ও কাজের পর স্থায়ী রেসিডেন্সির সুযোগ।
বাস্তব সফলতার গল্প
“ভেবেছিলাম টাকার জন্য স্বপ্নটাই বাদ দিতে হবে। ওরা দেখাল সৎ পথেও কম খরচে ইউরোপ সম্ভব।”
“IELTS নিয়ে যত ভয় ছিল, প্রসেস তত সহজ হয়ে গেল। সবকিছু গোছানো ছিল।”